Sunday, September 20, 2026

সর্বশেষ

গণতন্ত্রে তরুণ ও নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে ঢাকায় বিভাগীয় সংলাপ

গণতন্ত্রে তরুণ ও নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে “অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক ও গণতান্ত্রিক সম্পৃক্ততা” শীর্ষক বিভাগীয় সংলাপ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির সহায়তায় এবং জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বাস্তবায়নে পরিচালিত ‘অ্যাহেড বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় “একান্নর জাগরণ” উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। বাকি সাতটি বিভাগেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের বিভাগীয় সংলাপ আয়োজন করা হচ্ছে।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ এবং তরুণ ও নারী নেতৃত্বের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ অত্যন্ত জরুরি। এই প্রয়োজন থেকেই বিভাগীয় পর্যায়ে একটি নিরপেক্ষ ও কাঠামোবদ্ধ আলোচনার আয়োজন করা হয়। যার মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় পর্যায়ের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতার সংযোগ তৈরি করা।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজ সংগঠন, নারী নেত্রী ও তরুণ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় নাগরিক ও গণতান্ত্রিক কার্যক্রমে তরুণ ও নারীদের অংশগ্রহণের ভূমিকা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও তথ্যভিত্তিক অংশগ্রহণ, ভুয়া তথ্য মোকাবিলা, নারী ভোটারদের নিরাপত্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ইলেকশন অবজারভেশন কমিটির সদস্য ড. নাহরিন ইসলাম খান বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আস্থা রক্ষার জন্য ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রতিরোধ করা জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হলো সঠিক তথ্যের চর্চা উৎসাহিত করা এবং নাগরিকদের সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা। নারীর অংশগ্রহণ কেবল প্রতীকী উপস্থিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”

সম্মিলিত নারী প্রয়াস এর সেক্রেটারি এবং জামায়াতে ইসলামী নারী বিভাগের সদস্য ড. ফেরদৌস আরা খানম বলেন, “নারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে নিরাপত্তা ও চলাচলের স্বাধীনতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবার, সমাজ ও প্রতিষ্ঠান-সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই নারীরা যেন নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, “গণতন্ত্র টেকসই করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করতে হবে। তরুণ ও নারীদের ক্ষমতায়ন তখনই অর্থবহ হবে, যখন তারা নিরাপদভাবে মত প্রকাশ, তথ্যপ্রাপ্তি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পাবে।”

 

সর্বশেষ

নির্বাচিত

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.